Type Here to Get Search Results !

ছোটদের মজার মজার শিক্ষনীয় গল্প পব 5(Children's Educational Stories Part 5)

ছোটদের মজার মজার শিক্ষনীয় গল্প পব  5(Children's Educational Stories Part 5) 

ছোটদের মজার মজার শিক্ষনীয় গল্প পব  4(Children's Educational Stories Part 4)
ছোটদের মজার মজার শিক্ষনীয় গল্প পব  4(Children's Educational Stories Part 4) 


 বােকা বানর

মগধের এক শহরে এক ধনাঢ্য ব্যক্তি বাস করত । সে বসবাসের জন্য।

একটি বাড়ি তৈরি করছিল। বাড়ির দরজা এবং জানালার জন্য বড় বড় কাঠের খণ্ডগুলাে করাত দিয়ে চেরা ছিল। একটি কাঠের মাঝখানে

কাঠের মাঝখানে চেরার অংশে ঠেকা দিয়ে রাখা ছিল। মাঠের পাশে। একটি বটগাছে অনেকগুলাে বানর বসে ছিল। বানরগুলাে লাফাতে লাফাতে কাঠের গুড়ির উপর বসল। একটি বানর কাঠের চেরা অংশে লাগানো ছোট কাঠের ঠেকটি মুখ দিয়ে। খুলতে গেল । সে লক্ষ করে নি যে তার লম্বা লেজটি সেরা কাঠের ফাঁকে ছিল । কাঠের ঠেকাটি মুখে উঠিয়ে নেয়ার সাথে সাথে কাঠের গুড়ির ফাকে বানরের লেজটি আটকে গেল । সে গনে, | করে তা বের করতে পারল না। এর ফলে সে মারা গেল। তার চিলি অনেক দিন পরে ফিরে এসে তার। কাঠের গুড়িতে একটি মরা বানর দেখতে পেল ।

নীতিকথা; পরিনাম ভেবে কাজ করা উচিত।


আহত গরু

দক্ষিণ ভারতে মহিলারােপণ নামে এক শহর ছিল। এই শহরে এক ধনী ব্যবসায়ী বাস করত। ব্যবসায়ীর এক ছেলে ছিল। তার নাম বর্ধমানক। একদিন রাতে বিছানায় শুয়ে শুয়ে চিন্তা করতে লাগল যে তার যত অর্থসম্পদ আছে তার চেয়েও বেশি সম্পদ অর্জন করা উচিত। একথা মনে করে বর্ধমানক একদিন গরুর গাড়িতে ভিন দেশে রওয়ানা হল। তার সাথে তার কয়েকজন ভৃত্যও ছিল। বর্ধমানক মথুরার দিকে রওয়ানা হল। তার গরু দুটির নাম সঞ্জীবক এবং ননদক। বহুদিন ভ্রমণ করে তারা যমুনা নদীর তীরে এল । রাস্তা খুব। ভালাে ছিল না। মাঝে মাঝে গর্ত ছিল । হঠাৎ গর্তে পড়ে সনজিভকের একটি পা ভেঙে গেল । সে মাটিতে পড়ে গিয়ে শুয়ে পড়ল । এর ফলে। বর্ধমানকের যাত্রা ব্যাহত হল। সে তিন দিন অপেক্ষা করে যখন দেখল। সঞ্জীবকের চলার শক্তি নেই তখন সে সেখানে গাড়ি রেখে অন্যত্র চলে গেল। যাওয়ার সময় কয়েকজন প্রহরী রেখে গেল। ঐ জঙ্গলে এক সিংহ বাস করত এবং সিংহের ভয়ে প্রহরীরা সঞ্জীবকে রেখে চলে গেল । সিংহের নাম পিঙ্গলক। তার সাথে আরও অনেক বন্যপশু বাস করত। এদিকে বনে-জঙ্গলে পাতা, ঘাস, ফল-মূল খেয়ে ষাড় সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠল । সিংহ পানি পান করার জন্য যমুনার তীরে আসলে সঞ্জীবকের বিকট চিৎকার শুনে ঘাবড়িয়ে গেল। পানি পান না করেই সিংহ তার গর্তে ফিরে গেল ।।

নীতিকথা : দুর্বল কখনও কখনও সবলের চেয়ে বুদ্ধিমান হয়ে থাকে।



পাখি এবং শিকারী

দক্ষিণ ভারতের খুব বড় এক শহরে এক বিরাট বটগাছ ছিল। এই গাছে বিভিন্ন ধরনের পাখি বাস করত। বনজঙ্গল থেকে ফল মূল পােরে পাখিরা এখানে ফিরে এসে রাতে থাকত । বটগাছটি এত বড় ছিল রে এর ছায়ায় পথচারীরা বিশ্রাম নিত। এসব পাখিদের মধ্যে এক বার এবং বুদ্ধিমান কাক ছিল। তার নাম লঘুপাটনায়ক। একদিন সে শহরের দিকে উড়ে যাওয়ার সময় এক শিকারীকে ৰাৰ পাখি ধরার জাল নিয়ে জঙ্গলের দিকে যেতে দেখল । শিকারীকে দেখে কাক জঙ্গলে চর উপর থেকে সে দেখল যে এগুলাে খাবার জন্য গাছের

তার বটগাছের বাসায় ফিরে গেল। গাছের উপর থেকে সে শিকারী মাটিতে চাল-গম ছিটিয়ে দিচ্ছে। এগুলাে খত ডাল থেকে পাখিদের মাটিতে নেমে আসতে দেখে মনে তাদের চাল-গম খেতে নিষেধ করল। কারণ সে বুঝতে শিকারী জাল ফেলে পাখি ধরার জন্য খাবার ছিটিয়ে তে। কিছুক্ষণ পর এক ঝাঁক ঘুঘু গাছের উপর দিয়ে উড়ে যাচ্ছিল তাদের নেতা ছিল চিত্রগ্রীব। তারা মাটিতে খাবার পড়ে থাকতে ড. সেগুলাে খেতে শুরু করল। এমন সময় শিকারী তার জাল ঘঘদেন। উপর বিছিয়ে দিল। এরপর শিকারী যখন তার দড়ি দিয়ে জাল টানতে শুরু করল তখন বুদ্ধিমান চিত্রগ্রীব তার সাথীদের বলল, “অধৈর্য হবার দরকার নেই। তােমরা সকলে একসাথে উড়ার চেষ্টা কর।” এভাবে সব ঘুঘু একসাথে ডানা মেলে জালসহ আকাশে উড়ে গেল। নিচে থেকে উপরের দিকে তাকিয়ে পাখিসহ জাল আকাশে উড়তে দেখে শিকারী অবাক হয়ে গেল।

নীতিকথা : একতাই বল । বিপদে ধৈর্যধারণ করা মহৎ গুণ।

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.