Type Here to Get Search Results !

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুত্তির উপাদান কি কি । ইন্টরনেট ব্যবহারের সুযোগ সুবিধা কি কি?

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুত্তির উপাদান কি কি । ইন্টরনেট ব্যবহারের সুযোগ সুবিধা কি কি? তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুত্তির উপাদান কি কি । ইন্টরনেট ব্যবহারের সুযোগ সুবিধা কি কি?

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুত্তির উপাদান কি কি?

তথ্য প্রযুক্তিতে বর্তমানে যে সব মৌলিক উপাদান ব্যবহৃত হচ্ছে সেগুলাে হলাে- কম্পিউটার, নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা, আধুনিক টেলিযােগাযােগ, ইন্টারনেট, ই-মেইল, অডিও ভিডিও, মাইক্রোওয়েভ, স্যাটেলাইট, টেলিভিশন, মােবাইল ফোন, টেলেক্স, ফ্যাক্স ইত্যাদি। এর মধ্যে উল্লেখযােগ্য কয়েকটি নিচে আলােচনা করা হলাে । 

কম্পিউটার

ল্যাটিন শব্দ Computare থেকে ইংরেজি Computer শব্দটির উৎপত্তি। Computer শব্দটির আভিধানিক অর্থ গণনাযন্ত্র বা হিসাবকারী যন্ত্র। পূর্বে কম্পিউটার দিয়ে শুধুমাত্র হিসাব-নিকাশের কাজই করা হতাে। কিন্তু বর্তমান অত্যাধুনিক কম্পিউটার | দিয়ে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে জটিল হিসাব-নিকাশের কাজ নির্ভুলভাবে করা ছাড়াও বহু রকমের কাজ করা যায়। কম্পিউটার | সেকেন্ডের মধ্যে কোটি কোটি হিসাব-নিকাশ করতে পারে। কম্পিউটারে কাজ করার গতি হিসাব করা হয় সাধারণত ন্যানােসেকেন্ড এ। ন্যানােসেকেন্ড হচ্ছে এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের একভাগ সময় মাত্র। ইলেকট্রন প্রবাহের মাধ্যমে কম্পিউটারের যাবতীয় কাজকর্ম পরিচালিত হয়। মূলত কম্পিউটার একটি অত্যাধুনিক ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্র, যা নিজস্ব স্মৃতিভাণ্ডারে সুনির্দিষ্ট এক বা একাধিক কাজের নির্দেশাবলি সংরক্ষণ করে রাখে। ব্যবহারকারী ডাটা বা উপাত্ত সরবরাহ করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কম্পিউটার প্রক্রিয়াকরণ (প্রসেসিং) করে কাজের ফলাফল প্রদান করে।

ইন্টারনেট

ইন্টারনেট শব্দটির পূর্ণরূপ হলাে ইন্টারকানেকটেড নেটওয়ার্ক (Inter Conntected Networks) । অন্য কথায় নেটওয়ার্কের নেটওয়ার্কই হলাে ইন্টারনেট। বর্তমান বিশ্বে কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং প্রক্রিয়া একমাত্র আধিপত্য বিস্তারকারী মাধ্যমটির নাম ইন্টারনেট (Inernet)।

ইন্টরনেট ব্যবহারের সুযোগ সুবিধা কি কি?

ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রাপ্ত সুযােগ সুবিধা ইন্টারনেটের মাধ্যমে যেসব সুযােগ-সুবিধা পাওয়া যায় সেগুলাের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় হলাে

  1. ইন্টারনেটে যুক্ত হয়ে কাঙ্ক্ষিত তথ্যের নাম লিখে সার্চ করলেই তথ্যগুলাে প্রদর্শিত হয়। 
  2. ইন্টারনেটের মাধ্যমে মুহূর্তেই বিশ্বর যে কোন প্রান্তে ই-মেইল করে তথ্য আদান-প্রদান করা যায়
  3. ইন্টারনেটের মাধ্যমে ফ্যাক্স সুবিধা পাওয়া যায়। 
  4. VOIP এর মাধ্যমে প্রচলিত ফোনের চাইতে খুব কম খরচে বিশ্বর যে কোন প্রান্তে কথা বলা যায়
  5. ইন্টারনেট টিভি ও ইন্টারনেট রেডিও চালুর ফলে ঘরে বসেই কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের টেলিভিশন ও রেডিও চ্যানেলের অনুষ্ঠান উপভােগ করা যায়। 
  6. বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার, ফ্রিওয়্যার, বিনােদন উপকরণ ইন্টারনেট থেকে ডাউনলােড করে সংগ্রহ করা যায়। 
  7. ঘরে বসেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পত্রপত্রিকা পড়া যায়।
  8. ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-কমার্সের সাহায্যে ঘরে বসেই পণ্য কেনা যায়।
  9. ঘরে বসেই বিশ্বের নামকরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলাের শিক্ষা গ্রহণ করা যায় । 
  10. ইয়াহু মেসেঞ্জার, গুগল টক, স্কাইপি ইত্যাদি ইন্সট্যান্ট মেসেঞ্জারের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে বিশ্বের যে কোন প্রান্তে | থাকা যে কোন ব্যক্তির সাথে টেক্সট ও ভিডিও শেয়ার করা যায়।
  11. অনলাইনে চিকিৎসা সেবা নেয়া যায়; ইত্যাদি।

ই-মেইল 

ই-মেইল হলাে কম্পিউটর নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান ব্যবস্থা। লােকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সীমিত স্থানের মধ্যে এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে সারা বিশ্বের যে কোন স্থানে ইমেইল পাঠানাে যায়। বিভিন্ন ই-মেইল প্রােগ্রাম ব্যবহার করে মেইল পাঠানাে যায়। ই-মেইল প্রােগ্রামে ঢুকে বার্তা টাইপ করে প্রাপকের ঠিকানা নির্দিষ্ট করে পাঠানাে (Send) নির্দেশ দিলে ই-মেইল তথ্য সরাসরি প্রাপকের কম্পিউটারে না গিয়ে তার টার্মিনাল বা ওয়ার্কস্টেশন বা সার্ভারে গিয়ে জমা হয়। প্রাপক তার নামে কোন মেইল এসেছে কিনা তা অনুসন্ধানের নির্দেশ দিলে টার্মিনাল থেকে প্রাপকের কম্পিউটারে মেইলটি চলে আসে। একটি মেইল একই সঙ্গে অনেকের নিকট পাঠানাে যায়। অন্য প্রােগ্রামে করা (যেমন, এমএস-ওয়ার্ড) ফাইলকে ই-মেইলের সাথে যুক্ত করে পাঠানাে যায়। একে ফাইল এটাচমেন্ট (Attachment) বলা হয়। এটাচমেন্ট করে ভিডিও এবং অডিও ফাইলও পাঠানাে যায়।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুত্তির উপাদানর সারসংক্ষেপ

দিন দিন তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তির ব্যবহারের ক্ষেত্র এবং পরিধি বেড়েই চলেছে। বর্তমানে যােগাযােগ, কর্মসংস্থান, || শিক্ষা, চিকিৎসা, গবেষণা, অফিস, বাসস্থান, ব্যবসায়-বাণিজ্য, সংবাদ, বিনােদন ও সামাজিক যােগাযােগ, সাংস্কৃতিক | বিনিময়, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি, রােবট্রিক্স, মহাকাশ অভিযান, প্রতিরক্ষা ইত্যাদি বহুবিধ ক্ষেত্রে তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তি
ব্যবহার করা যায়। তথ্য প্রযুক্তিতে বর্তমানে যে সব মৌলিক উপাদান ব্যবহৃত হচ্ছে সেগুলাে হলাে- কম্পিউটার, | নেটওয়াক ব্যবস্থা, আধুনিক টেলিযােগাযােগ,ইন্টারনেট, ই-মেইল, অডিও ভিডিও, মাইক্রোওয়েভ, স্যাটেলাইট, টেলিভিশন, মােবাইল ফোন, টেলেক্স, ফ্যাক্স ইত্যাদি।

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.