রক্তশূন্যতার কারন লক্ষণ ও প্রতিকার(Symptoms and Remedies for Anemia) । রক্তশূন্যতার কারন লক্ষণ ও পতিকার প্রতিকার(Symptoms and Remedies for Anemia)
হ্যালো বন্ধুরা, সবাই কেমন আছেন। আজকে এই পোষ্টের মাধ্যমে, আমরা জানতে পারবো, রক্তশূন্যতা কি, রক্তশূন্যতা কাকে বলে রক্তশূন্যতার প্রকারভেদ, রক্তশূন্যতার লক্ষণ এবং রক্তহীনতা চিকিৎসা।
রক্তশূন্যতার লক্ষণ ও প্রতিকার(Symptoms and Remedies for Anemia)
মানুষের শরীরে প্রয়ােজনের তুলনায় কম রক্ত থাকিলে এমন ব্যক্তিকে রক্তহীনতায় ভুগিতেছে বলা হয়। রক্ত একটি তরল পদার্থ। ইহা দেখিতে গাঢ় লাল। ইহাতে অসংখ্য লােহিত কণিকা ভাসমান থাকে বলিয়া ইহা লাল বর্ণ দেখায়। পূর্ণ বয়স্ক একজন লােকের শরীরে রক্তের পরিমাণ আনুমানিক ৫ সের। স্বাভাবিক অবস্থায় ইহা তরল থাকে। শরীর হইতে বাহির হইবার পরে ২ হইতে ৫ মিনিটের মধ্যে রক্ত জমাট বাঁধিয়া যায়। রক্তহীনতা কোন রােগ নয়-ইহা বিভিন্ন রােগের একটি লক্ষণ মাত্র। একজন সুস্থ ব্যক্তির সহিত রক্তশূন্যতায় ভুগিতেছে এমন এক ব্যক্তির তুলনা করিলে উহা আরও পরিষ্কার বুঝা যায়।
এই বিশ্বের সর্বত্রই রক্তহীনতায় ভােগা রােগী আছে। তদুপরি পাকভারত উপমহাদেশে ও দূর প্রাচ্যের দেশগুলােতে রক্তহীনতার শিকার রােগীর সংখ্যা। অপেক্ষাকৃত বেশী। বাংলাদেশের লােক কিছু না কিছু এনিমিয়া বা রক্তহীনতায় ভুগিতেছে এবং তাহা সকল ক্ষেত্রেই লৌহ অভাবজনিত রক্তহীনতা। ছােট শিশু এবং সন্তান সম্ভাব্য মায়েদের ভিতর এই রক্তহীনতার উপস্থিতি অপেক্ষাকৃত বেশী। রক্তের স্বাভাবিক মান বয়স্ক ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রতি ১০০ মিলিলিটার রক্তে ১৪৬ গ্রাম। যখন এই পরিমাণ হেমােগ্লাবিন রক্তে বিদ্যমান থাকে তখন ১০০+ হােমাগ্লোবিন আছে বলিয়া ধরা হয়। বাংলাদেশের অধিবাসীদের রক্তে শতকরা ১০০ ভাগ হেমমাগ্লোবিন খুব কম সংখ্যক ব্যক্তির ভিতরেই থাকে। আমাদের সুস্থ শরীরে (পুরুষের ক্ষেত্রে) অধিক ক্ষেত্রে ১২৫ গ্রাম অর্থাৎ প্রায় ৮৫. হেমােগ্লোবিন পাওয়া যায় বলিয়া ইহাকেই মােটামুটিভাবে স্বাভাবিক বলিয়া ধরা হয়।
জন্মগ্রহণের সময় নবজাতকের হেমােগ্লোবিন উচ্চ মাত্রায় (১৮ গ্রাম ১০০ মিঃ লিঃ রক্ত) থাকে কারণ পৃথিবীর বায়ু সেবনের পূর্বে মায়ের গর্ভে তুলনামূলকভাবে স্বল্প অক্সিজেন আবহাওয়ায় তাহাকে থাকিতে হয়। ৩ মাস বয়সে এই হােমমাগ্লোবিনের মান অর্ধেকে নামিয়া আসে। অতঃপর আবার ধীরে ধীরে ইহার মান বয়ঃপ্রাপ্ত হওয়া পর্যন্ত এক রকম মানে বাড়িতে থাকে। এই সময় বাচ্চার পুষ্টি ঠিকমত না হইলে, লৌহ। গ্রহণ কমিয়া গেলে শিশুর রক্তহীনতা দেখা দেয় এবং অতঃপর এই বাড়ার হার পুরুষের ক্ষেত্রে মহিলাদের তুলনায় একজন বয়স্ক মানুষের রক্তে হেমােগ্লোবিন মান প্রতি ১০০ মিলিঃ লিটারে ২ গ্রাম (১০%) বেশী থাকে। পুং হরমােন এই বাড়তি হেমােগ্লোবিন মানের জন্য কার্যকর বােঝা যায়।। | কারণ অধিকাংশ রক্তহীনতায় ভােগা রােগীর রক্তহীনতার জন্য এই সঙ্গে একাধিক কারণ দায়ী থাকে। কারণ অনুসন্ধানকালে মানবদেহে রক্তহীনতা দেখা হইল।
যে, রক্তহীনতা দেখা দেওয়ার পিছনে কার্যকরী মুল যে তিনটি বিষয় মনে রাখা প্রয়ােজন তাহা হইল এই যে, রক্তহীনতা দেখা দিবে যদি রােগীর |
ক) শরীর হইতে রক্ত খােয়া যায় (Blood loss) এবং তাহা সদ্য রক্ত হারাননা। কিংবা দীর্ঘস্থায়ী হইতে পারে।
খ) অস্থিমজ্জা পর্যাপ্ত পরিমাণে স্বাভাবিক লােহিত রক্তকণিকা উৎপাদন না করিতে পারে।
গ) শরীরে অত্যধিক হারে রক্তকোষ ভাঙ্গন ঘটিতে থাকে যাহা পুনঃস্থাপনে অস্থিমজ্জা ব্যর্থ হয়।
তবে শরীরে লৌহ উপাদানের অভাবে হেমােগ্লোবিন সংশ্লেষণে ব্যর্থতাই হইল। এতদঞ্চলে তথা সমগ্র বিশ্বে রক্তহীনতা দেখা দিবার পিছনে দায়ী। প্রধান কারণ এবং দেহে প্রয়ােজনীয় লৌহের অভাব দেখা দিবার সাধারণ কারণ হইল শরীর হইতে রক্তক্ষয় বা রক্ত হারানাে। তাই মনে প্রশ্ন জাগে যে, স্বাস্থ্যরক্ষার নিয়ম কানুন সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণে হুকওয়ার্ম কৃমির আক্রমণে আমাদের অন্ত্র গাত্র হইতে প্রচুর পরিমাণে। রক্ত খােয়া যায়।
রক্তশূন্যতার লক্ষণ ও প্রতিকার(Symptoms and Remedies for Anemia)
রক্তহীনতার প্রকারভেদঃ
১। দেহ হইতে রক্তক্ষয় হওয়াজনিত রক্তহীনতাঃ ।
রােগীর ভিতর কিরূপ রক্তহীনতা দেখা দিতে পারে তাহা নির্ভর করে দেহের কোথা হইতে কতটা মারাত্মকভাবে ও কি হারে রক্তক্ষরণ ঘটিল তাহার উপর। অল্প। সময়ে অনেক বেশী রক্তপাত ঘটিলে কিংবা দীর্ঘ সময় ধরিয়া অল্প আয়তনের রক্তপাত ঘটিতে থাকিলে রােগীর ভিতর রক্তহীনতার লক্ষণাদি ফুটিয়া উঠিবে।
২। লােহিত রক্তহীনতা উৎপাদনের অপর্যাপ্ততাঃ
রক্ত কণিকা উৎপাদনে প্রয়ােজনীয় উপাদানসমূহের অভাব, যেমন লৌহ অভাবজনিত রক্তহীনতা, ফলিত এসিড অভাবজনিত রক্তহীনতা, পাইরিডক্সিন অভাবজনিত রক্তহীনতা, স্কারভিজনিত রক্তহীনতা, মিকসিডিমা রােগে রক্তহীনতা, অস্থিমজ্জায় ব্যর্থতা ও লােহিত রক্ত কণিকা উৎপাদনে অপর্যাপ্ততা দেখা দেয়।
৩। রক্ত কণিকার অতিরিক্ত ভাংগনজনিত রক্তহীনতাঃ
ইহা জন্মগত বা বংশানুক্রমিক কারণে রক্তকোষ ভাংগনের কারণ রক্ত কণিকার অভ্যন্তরে নিহিত থাকিতে পারে কিংবা কারণ ইহার বাহিরেও থাকিতে পারে।
৪। দীর্ঘদিনের অসুস্থতা সমূহের জড়িত রক্তহীনতাঃ
দ্বীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ ব্যাধি, রােগজীবাণু সংক্রমণে, ক্যান্সার ব্যধি, বাত ব্যধি বা রিউমাটয়েট আর্থারাইটিজে রক্তহীনতা দেখা দেয়, ইউরিমেয়া অবস্থায় রক্তহীনতা, অন্ত্রঃসাবী গ্রন্থির কাজে ব্যর্থতার কারণে রক্তহীনতা, যকৃতের ব্যধি দেখা দেওয়ায় রক্তহীনতা।
রক্তহীনতার অভিযােগ ও লক্ষণ
সামান্য রক্তহীনতায় ভােগা রােগীর কোন অভিযােগ নাও থাকিতে পারে। তবুও। তাহারা দুর্বল ও অবসন্নভাব এবং একটু পরিশ্রম করিলে শ্বাস কষ্ট ও বুক ধড় পড়। করার কথা বলিতে পারে।
কিছুদিন যাবত রক্তহীনতার শিকার-এমন রােগীর মাথায় ঝিম ঝিম ভাব, মাথা। ঘুরানী, মাথা ব্যথা, চোখে ভালভাবে দেখিতে না পাওয়া, কানে ভোঁ ভোঁ শব্দ লাগিয়া। থাকা এবং হঠাৎ ক্ষণিকের জন্য জ্ঞান হারানাে কিংবা নিদ্রাহীনতার অভিযােগ করিতে পারে, রক্তহীনতায় ভােগা বয়স্ক রােগীর হৃদপিণ্ড রক্ত সরবরাহে ঘাটতির ফলে এ্যানজাইনার বুক ব্যথার কথা বলিতে পারে।
নালীতে অপর্যাপ্ত রক্ত সরবরাহের কারণে রােগীর ক্ষুধামন্দা, অজীর্ণ বা হজম না হওয়া, বমি বমিভাব, ঠিকমত মলত্যাগ না হওয়া ইত্যাদি দেখা দিতে পারে। রােগার শরীরের তুকে রক্তসরবরাহ বেশ কমিয়া যায় বলিয়া রােগীর ভিতর খুব শীত শীত লাগা বা অল্প ঠাণ্ডায় শীত অনুভব করার অভিযােগ দিতে পারে।
রক্তহীনতার কারণে অনিয়মিত ঋতুস্রাব বা মাসিক হইবার অভিযােগ দেখা দিতে পারে। কেহ কেহ মাসিক অস্বাভাবিকভাবে বন্ধ হইয়া যাবার কথা বা বেশী রক্ত। ভাংগার অভিযােগ করিতে পারে। পুরুষ রােগীরা অংগগাথান ব্যর্থতা ও যৌনক্ষুধা লােপ। বা হ্রাস পাইয়াছে এমন অভিযােগ করিতে পারে।
দীর্ঘকাল যাবত রক্তহীনতার ভাংগনে হৃদপিণ্ডে ব্যর্থতা দেখা দিতে পারে এবং রােগীর পায়ের গােড়ালীতে পানি জমিয়া ফুলিয়া উঠে এবং শ্বাস-প্রশ্বাসে কষ্ট দেখা দিতে পারে।
রক্তশূন্যতার চিকিৎসা
১। কারণ ঘটিত রােগের চিকিৎসা করিতে হইবে।।
২। আমাদের দেশে অধিকাংশ রক্তহীন রােগীর হুকওয়ার্ম, রাউও ওয়ার্ম ইত্যাদি থাকিলে সঙ্গে সঙ্গে এই সকল রােগের চিকিৎসা করিতে হইবে।
৬৮২
৩। পেটের গণ্ডগােল থাকিলে তাহার চিকিৎসা করিতে হইবে। কেননা, পেট ভাল থাকিলে কোন প্রােটিনযুক্ত খাদ্য খাইতে পারিবে না, অন্যদিকে রক্তের ঔষধ দেওয়া যাইবে না। |
8/ রক্তশূন্যতা দেখা দিলে Ferous Sulphate (ফেরাস সালফেট) যুক্ত ওষধ দেওয়া যায়ঃ (১ চামচ ঔষধ=২০০ mg. ফেরাসসালফেট।) |
Sy. Aristoferon (এরিসটোফেরন) বা, Sy. Adiron (এডিরােন) বা, Sv Bcotone (facolta) 51, Sy. Dyaseron (UTCP51A) 1, Sy. Frosphate ফিয়ােসফেট) বা, Sy. Bioron (বাইয়ােরােন) বা, Sy. Feraphos (ফেরাফস) বা, Sy. Ferabolin (ফেরাবলিন) বা, Sy. Feradolin (ফেরাডােলিন) বা, Sy. Fereson (ফেরিসন) বা, Sy. Ferafolin (ফেরাফলিন) বা, Sy. Fergun-S। (ফেরিগান-এস)বা, Sy. Fenilon (ফেরিলােন) বা, Sy. Ferin (ফেরিন) বা, Sy. | Feroneed (ফেরােনিড) বা, Sy. Ferofum (ফেরােফাম) বা, Sy. Ferolin (ফেরােলিন) বা, Sy. Feroplus (ফেরােপ্লস) বা, Sy. Ferrug (ফিরাগ) বা, Sy. Ferroben (ফেরােবিন) বা, Sy. Ferrosobin (ফেরােসােবিন) বা, Sy. Fersamal (ফারসামল) বা, Sy. Heamaron (হেমারন) বা, Sy. Iberon (আইবিরােন) বা, Sy. Ironex (আইরােনেক্স) বা, Sy. May-Flower (মেফ্লাওয়ার) বা, Sy. Pharmaglobin (ফারমাগ্লোবিন) বা, Sy. Premeron (প্রিমিরান) বা, Sy. Polyton (পলিটন) বা, Sy. Sinaferon (সিনাফেরন) বা, Sy. Sentoferon (সেনটোফেরন) বা, Sy. Pregfol (প্রিগফোল) বা, Sy.
Maxaron (ম্যাক্সারােন)।
মাত্রাঃ ২ চামচ করিয়া দিনে ২/৩ বার আহারের পর।
অথবা,
ক্যাপসুল/বড়ি আকারেঃ
Cap. Feosphate (ফেয়ােসফেট) বা, Cap. Ferol (ফিরােল) বা, Tab. Fetab (ফিট্যাব) বা, Tab. Feroin (ফেরােলিন)। বা, Tab. Frsolate (ফারসােলেট) বা, Cap. May-Flower (মে-ফ্লাওয়ার) বা, Cap. Rubrafol (রুবরাফল) বা, Cap. Therafeon (থেরাফিয়ন)। মাত্রাঃ ১টি করিয়া দিনে ২/৩ বার খাবার পর।
অথবা,
Ferrous Gluconate (ফেরাস কোনেট) যুক্ত ঔষধঃ Sy. Feridex ফেরিডেক্স) বা, Sy. Fercon (ফারকন) বা, Sy. Ferglucon (ফারগুকোন) বা, Sy. Ferocin (CPCSOITTA) 77, Sy. Ferona (CPCAT) 71, Sy. Ferroglobin
(ফেরােগ্লোবন) বা, Sy. Feromal (ফেরােমন্ট) বা, Sy. FerTO বা, Sy. Ferosobin-G (ফেরােসােবিন-জি) বা, Sy. G-Iron নামম) বা, Sy. Opsoferro] (অপসােফেরল) বা, Sy. PeoT (পিয়ােরােন) বা, Sy. Therafeon (থেরাফিয়ােন) বা, Sy. Prem (প্রমাফেরন) বা, Sy. Dipiglobin (ডিপিগ্লোবিন) বা, Sy. Hemat (হেমাটলজি) বা, Sy. Glucoferon (গ্রকোফেরন)।
মাত্রাঃ
২ চামচ করিয়া দিনে ২/৩ বার আহারের পর।
Cap. Feroben (ফেরােবিন) বা, Cap. Ferodef (ফেরােডেপ)।
মাত্রাঃ
১ ক্যাপসুল করিয়া প্রত্যহ ২/৩ বার খাবার পর।
অথবা,
Ferous Fumarate (ফেরাস ফিউমারেট) যুক্ত ঔষধঃ | Sy. Ferate (ফিরেট) বা, Sy, Fe-svup ফি-সিরাপ) বা, Sy. Fumarin (ফিউমারিন) বা, Sy. Hematol (হিমাটোল) বা, Cap. Ferate (ফিরেট) বা, Cap. Dipiferol (ডিপিফেরল)।
মাত্রাঃ
২ চামচ সিরাপ বা ক্যাপসুল ১টি করিয়া দিনে ২/৩ বার আহারের পর।
অথবা,
Ferous Fumarate (ফেরাস ফিউমারেট + Folic Acid (ফালক। এসিড) যুক্ত ঔষধঃ Cap. Becotone-F (বিকোটন-এফ) বা, Cap. Feridex+ (ফেরিডেক্স+) বা Cap. Femart (ফিমার্ট) বা, Cap. Fe-Plus (ফি-প্লাস) বা, Cap. Ferate-plus (ফিরেট-প্লস) বা, Cap. Ferigun (ফেরিগান) বা, Cap. Ferrofol (ফেরােফল) বা, Cap. Felferum (ফলফিরাম) বা, Cap. Folfum (ফলফাম) বা, Cap. Haemaferon (হেমাফেরন) বা, Cap. Haemodin (হেমােডিন) বা, Cap. Hematal (হেমাটল) বা, Cap. Irocap (আইরােক্যাপ) বা, Cap. Opsoferol (অপসােফেরল) বা, Cap. Sinaferon (সিনাফেরন) বা, Cap. Therafeon (থেরাফিয়ন) বা, Tab. Premaferol (প্রেমাফেরল) বা, Tab. Ferifol (ফেরিফল) বা, Tab. Fercon (ফারকন) বা, Tab. Folfetab (ফলফিট্যাব) বা, Tab. Irobex (আইরােবেক্স) বা, Tab. Anstofal-Fe (এরিসটোফল-ফি)।
মাত্রাঃ
১টি করিয়া দিনে ২/৩ বার আহারের পর।
৫। বেশী রক্তশূন্যতায় বড়ি বা তরলের পরিবর্তে
Inj. Imferon (ইমফেরন) 2. c.c/5c.c.
নির্দেশঃ
2cc ঔষধ ১ দিন পর পর কোমরের মাংসে ইনজেকশন দিতে হইবে।
অথবা,
5cc ঔষধ ধীরে ধীরে রগের মধ্যে ১/২ দিন পর পর ইনজেকশন দিতে হইবে।
সাবধানতাঃ খুব দুর্বল রােগী বা হার্ট দুর্বল এমন রােগীকে রগের মধ্যে ইনজেকশন কোনক্রমেই দেওয়া চলিবে না। রগের মধ্যে ইনজেকশন দিতে হইলে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়ােজন। বর্তমানে ইহার ব্যবহার নাই।।
৬৷ উপরে উল্লিখিত ৪নং-এ উল্লেখিত ঔষধের সহিত অথবা একক ভাবে পানিসাস এ্যানােমিয়ায় বা গর্ভবতী মহিলার জন্য রক্তহীনতায়ঃ
| Inj. Cytamin (সাইটামিন) 250 mcg. বা, Inj. Cynomin (সাহনােমিন) 250/1OOO mcg. বা, Inj. Vitamin-B12 (ভিটামিন বি। TC175-Fisons) 250/1000 mcg | মাত্রাঃ 250 mg. ১ সি সি করিয়া ঔষধ সপ্তাহে ১ দিন পর পর ইনজেকশন। দিহেইবে।
* গর্ভবতী মেয়েদের রক্তশূন্যতায় এই ইনজেকশন না দিলে ভাল ফল পাওয়া যায় না।।
৭। উপরের ইনজেকশনের সহিত নিম্নোক্ত Folic Acid (ফলিক এসিড) যুক্ত বড়ি দেওয়া যায়।
Tab. Folic Acid (ফলিক এসিড- Ambee/_Medicare/ Pharmadesh) 71, Tab. Folicom (P ow) 1, Tab. Folison (plattal) বা, Tab. Terovet (টিরােভিট)।
মাত্রাঃ ১ বড়ি করিয়া দিনে ৩ বার।। | ইহা পানিসাস এ্যানিমেয়ায় ভুগিতেছে এমন রােগীকে প্রচুর Vit. B12 ছাড়া। দেওয়া যাইবে না।
| ৭ কাঠন রক্তশূন্যতায় Blood Transfusion দরকার হয়। এজন্য রােগীকে হাসপাতালে পাঠাইতে হইবে।
পথ্য ও আনুষঙ্গিক ব্যবস্থা
১। প্রত্যহ ভােরে মুক্ত বাতাসে ভ্রমণ উপকারী।
২। প্রােটিন ও ভিটামিন জাতীয় খাদ্য খাওয়া উচিত। যেমন, ছােলা ভেজা, বড় মাছের মাথা, পাঠার কলিজা প্রভৃতি। এই সকল খাওয়ার অসুবিধা দেখা দিলে হজমের ঔষধ খাওয়াইতে হইবে।
৩। লাল শাক খাওয়া ভাল। কেননা ইহা রক্ত বৃদ্ধি করে। ৪। হালকা গরম পানিতে গােসল করিতে হইবে।।


