ডিপথেরিয়া কি,ডিপথেরিয়া রোগের লক্ষণ, ডিপথেরিয়া চিকিৎসা, ডিপথেরিয়া রোগের পথ্য ও ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করব।
ডিপথেরিয়া একটি জীবাণু ঘটিত ব্যধি। ব্যাসিলাস ডিপথেরিয়া বা করিনি ব্যাকটেরিয়াম ডিপথেরিয়া নামক জীবাণু দ্বারা ইহা সংঘটিত হয়। ইহা একটি। ছোঁয়াচে ব্যাধি। ছোঁয়াচ লাগিবার ৬/৭ দিনের মধ্যে ইহা প্রকাশ পায়। এই রােগে আক্রান্ত ব্যক্তির থুথ কণার সহিত জীবাণু থাকে বলিয়া থুথুর মাধ্যমেই ইহা ছড়াইয়া পড়ে। বয়স্ক লােকদেরও এই রােগ হইতে দেখা যায়। গলার মধ্যেই এই রােগ অধিক হয়। তবে গলায় অভ্যন্তর ভাগের পিছনের দিকে ল্যারিংস, নাক, মধ্য কান প্রভৃতি স্থানেও ইনফেকশন হইয়া থাকে।
এই রােগ জীবাণু ঐ সকল স্থানে প্রদাহের সৃষ্টি করে এবং টক্সিন নামক এক প্রকার পদার্থ তৈয়ারী করিয়া সর্ব শরীরে ছড়াইয়া দেয়। তালুমুল বা গলায় রােগ জীবাণু প্রদাহের সৃষ্টি করিলে ঐ স্থান হইতে রস নিঃসৃত হয় এবং পরে উহা জমিয়া একটি পদার্থ সৃষ্টি করে। ইহা গলার দেয়াল, আলজিহ্বা, নাক ও কণ্ঠনালীতে হইতে পারে। কিন্তু টনসিলাইটিজে শুধু টনসিলে সাদা পূজের ন্যয় পাতলা আবরণী দেখা যায়। টনসিলাইটিজের সহিত ইহার ভুল হইতে পারে।
২। গলায় ব্যথা ও ভিতরে প্রদাহ অনুভূত হয়।
৩। কোন কিছু খাইবার সময় মনে হয় যেন গলায় কিছু আটকাইয়া আছে। কিন্তু গিলিতে রােগী খুব কষ্ট অনুভব করে।
৪। আক্রান্ত স্থানটি লাল দেখায়। ধীরে ধীরে টনসিলের উভয় পার্শে দুধের সরের ন্যায় দাগ পড়ে এবং ঐগুলি মিলিয়া একটি বড় পর্দার সৃষ্টি করে।
৫। শ্বাসগ্রহণে খুব কষ্ট হয়। ঠিকমত অক্সিজেন গ্রহণ করিতে পারে না বলিয়া হাতের নখ, কানের লতি ইত্যাদি নীলাভ হইতে পারে।
6. গলার বাহিরে চোয়ালের নীচের গ্লান্ডগুলি ফুলিয়া যায় এবং ব্যথা হয়।
"" "" -৫০০ ইউনিট
ডিপথেরিয়া একটি জীবাণু ঘটিত ব্যধি। ব্যাসিলাস ডিপথেরিয়া বা করিনি ব্যাকটেরিয়াম ডিপথেরিয়া নামক জীবাণু দ্বারা ইহা সংঘটিত হয়। ইহা একটি। ছোঁয়াচে ব্যাধি। ছোঁয়াচ লাগিবার ৬/৭ দিনের মধ্যে ইহা প্রকাশ পায়। এই রােগে আক্রান্ত ব্যক্তির থুথ কণার সহিত জীবাণু থাকে বলিয়া থুথুর মাধ্যমেই ইহা ছড়াইয়া পড়ে। বয়স্ক লােকদেরও এই রােগ হইতে দেখা যায়। গলার মধ্যেই এই রােগ অধিক হয়। তবে গলায় অভ্যন্তর ভাগের পিছনের দিকে ল্যারিংস, নাক, মধ্য কান প্রভৃতি স্থানেও ইনফেকশন হইয়া থাকে।
এই রােগ জীবাণু ঐ সকল স্থানে প্রদাহের সৃষ্টি করে এবং টক্সিন নামক এক প্রকার পদার্থ তৈয়ারী করিয়া সর্ব শরীরে ছড়াইয়া দেয়। তালুমুল বা গলায় রােগ জীবাণু প্রদাহের সৃষ্টি করিলে ঐ স্থান হইতে রস নিঃসৃত হয় এবং পরে উহা জমিয়া একটি পদার্থ সৃষ্টি করে। ইহা গলার দেয়াল, আলজিহ্বা, নাক ও কণ্ঠনালীতে হইতে পারে। কিন্তু টনসিলাইটিজে শুধু টনসিলে সাদা পূজের ন্যয় পাতলা আবরণী দেখা যায়। টনসিলাইটিজের সহিত ইহার ভুল হইতে পারে।
ডিপথেরিয়া রোগের লক্ষণ
১। প্রথম অবস্থায় রােগীর সর্দি হয়, জ্বর জ্বর বােধ হয়। পরে গলায় ব্যাথা হয়। জ্বরের তাপমাত্রা ১০৪ ডিগ্রী পর্যন্ত উঠিতে পারে।২। গলায় ব্যথা ও ভিতরে প্রদাহ অনুভূত হয়।
৩। কোন কিছু খাইবার সময় মনে হয় যেন গলায় কিছু আটকাইয়া আছে। কিন্তু গিলিতে রােগী খুব কষ্ট অনুভব করে।
৪। আক্রান্ত স্থানটি লাল দেখায়। ধীরে ধীরে টনসিলের উভয় পার্শে দুধের সরের ন্যায় দাগ পড়ে এবং ঐগুলি মিলিয়া একটি বড় পর্দার সৃষ্টি করে।
৫। শ্বাসগ্রহণে খুব কষ্ট হয়। ঠিকমত অক্সিজেন গ্রহণ করিতে পারে না বলিয়া হাতের নখ, কানের লতি ইত্যাদি নীলাভ হইতে পারে।
6. গলার বাহিরে চোয়ালের নীচের গ্লান্ডগুলি ফুলিয়া যায় এবং ব্যথা হয়।
৭। রােগীরদুর্বলতা থাকে।
৮। নাকে আক্রান্ত রােগীর নাক দিয়া পুঁজ ও শ্লেষ্ম পড়ে।
৯। হাতের নাড়ী দ্রুত চলে। প্রস্রাব কমিয়া যাইতে পারে।
১০। লেরিঞ্জিয়াল ডিপথেরিয়ার রােগী ফ্যাস ফ্যাস করিয়া কথা বলে।
জ্বর প্রায়ই খুব বেশী হয় না। গলার মধ্যে পর্দা পড়াই এই রােগের প্রধান লক্ষণ। এই রােগের পরিণতি খারাপ, তাই রােগ ধরা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে রেজিষ্টার্ড চিকিৎসককে দেখান উচিত। মনে রাখা উচিত চিকিৎসায় দেরী হইলে রােগীর প্রাণশঙ্কা দেখা দিতে পারে।
২। একটি মুহূর্তে বিলম্বে চিকিৎসা করা রােগীর পক্ষে ক্ষতিকর। রােগ ধরা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রথমে ৫০০০ ইউনিট এবং কয়েক ঘন্টা পরে আবার ৫০০০ ইউনিট মাংসে ইনজেকশন দিতে হইবে। রােগের লক্ষণ কমিয়া গেলেও ২০০০ ইউনিট করিয়া ইনজেকশন চলিবে।
অনেকের মতে রােগের বয়স ১ দিন হইলে ১০,০০০ ইউনিট মাংসে ইনজেকশন দিতে হইবে। ২ দিন হইলে ২০,০০০ ইউনিট, এমনিভাবে রােগের বয়স অনুসারে ৪০,০০০ হাজার বা তদুর্ধ ইউনিট প্রয়ােজন হইতে পারে।
Diptheria Anti Toxin মৃদু মন্দ রােগীর জন্য (Mild case)=4000/8000 units I.M van CTS Gay (Moderate case)=16000/32000 unts I. M গুরুতর রােগীর জন্য (Sever case)=50000/10,00,000untis.I. M
জ্বর প্রায়ই খুব বেশী হয় না। গলার মধ্যে পর্দা পড়াই এই রােগের প্রধান লক্ষণ। এই রােগের পরিণতি খারাপ, তাই রােগ ধরা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে রেজিষ্টার্ড চিকিৎসককে দেখান উচিত। মনে রাখা উচিত চিকিৎসায় দেরী হইলে রােগীর প্রাণশঙ্কা দেখা দিতে পারে।
ডিপথেরিয়া রোগের চিকিৎসা
১। এই রােগ দেখা দিবা মাত্র রােগীকে নিকটস্থ সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে, না। থাকিলে পল্লীস্বাস্থ্য কেন্দ্রে পাঠাইতে হইবে। হাসপাতাল নিকটে না থাকিলে নিম্নলিখিত উপায়ে চিকিৎসা করা যাইতে পারে। এই রােগের সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা হইল। A.D.S (এন্টিডিপথেরিয়া সিরাম)।২। একটি মুহূর্তে বিলম্বে চিকিৎসা করা রােগীর পক্ষে ক্ষতিকর। রােগ ধরা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রথমে ৫০০০ ইউনিট এবং কয়েক ঘন্টা পরে আবার ৫০০০ ইউনিট মাংসে ইনজেকশন দিতে হইবে। রােগের লক্ষণ কমিয়া গেলেও ২০০০ ইউনিট করিয়া ইনজেকশন চলিবে।
অনেকের মতে রােগের বয়স ১ দিন হইলে ১০,০০০ ইউনিট মাংসে ইনজেকশন দিতে হইবে। ২ দিন হইলে ২০,০০০ ইউনিট, এমনিভাবে রােগের বয়স অনুসারে ৪০,০০০ হাজার বা তদুর্ধ ইউনিট প্রয়ােজন হইতে পারে।
Diptheria Anti Toxin মৃদু মন্দ রােগীর জন্য (Mild case)=4000/8000 units I.M van CTS Gay (Moderate case)=16000/32000 unts I. M গুরুতর রােগীর জন্য (Sever case)=50000/10,00,000untis.I. M
ডিপথেরিয়া রোগের সাবধানতা
A D. s ইনজেকশন করিলে অনেকের রিয়্যাকশন হইতে পারে। রােগীর শ্বাসকষ্ট, সর্ব শরীর ঠাণ্ডা হইয়া যাওয়া, এমন কি রােগীর মৃত্যু পর্যন্ত হইতে পারে।
ডিপথেরিয়া রোগের Sensivity Test
সিরাম সহ্য করিতে পারে কি-না বুঝিবার জন্য প্রথমে সি, সি-এরও কম চর্মের নীচে ইনজেকশন দিয়া কিছুক্ষণ দেখিতে হইবে যে কোন প্রকার রিয়্যাকশন হয় কি-না। রিয়্যাকশন না হইলে দ্বিতীয় বারে পুরাপুরি ইনজেকশন দিতে হইবে। যদি রিয়্যাকশন হয় তবে অল্প মাত্রায় কয়েকবারে পুরা মাত্রা ৪ ঘন্টার মধ্যে ইনজেকশন দিতে হইবে।
চিকিৎসকের কর্তব্য
রিয়্যাকশন হউক বা না হউক চিকিৎসককে তাহার হাতের পার্শ্বে।
Inj. Adrenaline (এড্রিনালিন), Inj. Antihistamine (এন্টিহিসটাসিন) এবং Inj. Steroids অথাৎ Inj. Solu- Cortep (সলুকরটেপ) বা, Inj. Hydrocortison (হাইড্রোকটিসন) রাখিতে হইবে।
Inj. Adrenaline (এড্রিনালিন), Inj. Antihistamine (এন্টিহিসটাসিন) এবং Inj. Steroids অথাৎ Inj. Solu- Cortep (সলুকরটেপ) বা, Inj. Hydrocortison (হাইড্রোকটিসন) রাখিতে হইবে।
ডিপথেরিয়া এন্টিটক্সিন বিভিন্ন ডােজ
"" "" -৫০০ ইউনিট
"" "" -১০০০
"" "" -২০০০ ,
"" "" -৩০০০
"" "" -৪০০০
"" "" -৫০০০
"" "" –৮০০০
"" "" -১০,০০০
3. প্রদাহের জন্য সিরাম ইনজেকশন দেওয়ার পরঃ
Inj. Pronapen (তােনাপেন) বা, Inj. Seclopen (সেকলােপেন) বা, Inj. Hostacillin (হােষ্টাসিলিন)।।
মাত্রাঃ প্রত্যহ অথবা ৮ ঘন্টা পর পর ১ ভায়েল মাংসে ইনজেকশন দিতে হইবে। কমপক্ষে ৭ দিন। ৪। যাহাদের Penicillin-এ Reaction হয় তাহাদের বেলায় ইরিথ্রোমাইসিন) যুক্ত ঔষধ দিতে হইবে অথবা, সকলক্ষেত্রেই এই ঔষধ দেওয়া যাইবো।
Tab. Arthomycin ( cha Pya) 250mg. 71, Tab. Pfizer-E (ফাইজার-হ) 250 mg. বা, Tab. EMU-v (ইএমইউ-ভি) 250 mg.বা, Tab. Servitrocin (সারভিট্রোসিন) 250/500 mg. বা, Tab. Eromycin (এরােমাইসিন) 250mg, বা, Tab. Macrocin (ম্যাকরােসিন) 250 7500 mg, বা, Tab. Erythromin (ইরিথ্রোমিন) 250 mg.
মাত্রাঃ১টি করিয়া ৬ ঘন্টা পর পর সেব্য, ৭ দিন।
মাত্রাঃ প্রত্যহ অথবা ৮ ঘন্টা পর পর ১ ভায়েল মাংসে ইনজেকশন দিতে হইবে। কমপক্ষে ৭ দিন। ৪। যাহাদের Penicillin-এ Reaction হয় তাহাদের বেলায় ইরিথ্রোমাইসিন) যুক্ত ঔষধ দিতে হইবে অথবা, সকলক্ষেত্রেই এই ঔষধ দেওয়া যাইবো।
Tab. Arthomycin ( cha Pya) 250mg. 71, Tab. Pfizer-E (ফাইজার-হ) 250 mg. বা, Tab. EMU-v (ইএমইউ-ভি) 250 mg.বা, Tab. Servitrocin (সারভিট্রোসিন) 250/500 mg. বা, Tab. Eromycin (এরােমাইসিন) 250mg, বা, Tab. Macrocin (ম্যাকরােসিন) 250 7500 mg, বা, Tab. Erythromin (ইরিথ্রোমিন) 250 mg.
মাত্রাঃ১টি করিয়া ৬ ঘন্টা পর পর সেব্য, ৭ দিন।
শিশুদের ক্ষেত্রেঃ
Sy. Arthomycin (আরহােমাইসিন) বা, Sy. Erylin (হারীলন) বা, Sy. Pfzer-E (ফাইজার-ই) বা, Sy. Eromycin (এরােমাইসিন) বা, Sy. Erocin (ইরােসিন) বা, Sy. Macrocin (ম্যাকরােসিন)।
মাত্রাঃ ১/২ চামচ ঔষধ ৬ঘন্টা পর পর সেব্য।
৫। লেরিঞ্জিয়াল ডিপথেরিয়ায় শ্বাস-প্রশ্বাসের কার্যে ব্যাঘাত ঘটার জন্য রােগীর জীবন সংশয় দেখা দিলে Oxygen (অক্সিজেন) দেওয়া দরকার হয় এবং সেক্ষেত্রে টাকিও টোমি অপরেশন করিতে হয়। উপযুক্ত সার্জন ছাড়া ইহা করা সম্ভব হয় না। এইরূপ ক্ষেত্রে রােগীকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হাসপাতালে স্থানান্তর করা প্রয়ােজন।
৬। যদি বাড়ীতে একটি শিশুর এই রােগ হয়, তাহা হইলে বাড়ীর অন্য ছেলেমেয়েদের অবশ্যই বয়স অনুযায়ী প্রতিষেধক হিসাবে ৫০০ থেকে ১০০০ ইউনিট সিরাম A D. S) ইনজেকশন দিতে হইবে।।
মাত্রাঃ ১/২ চামচ ঔষধ ৬ঘন্টা পর পর সেব্য।
৫। লেরিঞ্জিয়াল ডিপথেরিয়ায় শ্বাস-প্রশ্বাসের কার্যে ব্যাঘাত ঘটার জন্য রােগীর জীবন সংশয় দেখা দিলে Oxygen (অক্সিজেন) দেওয়া দরকার হয় এবং সেক্ষেত্রে টাকিও টোমি অপরেশন করিতে হয়। উপযুক্ত সার্জন ছাড়া ইহা করা সম্ভব হয় না। এইরূপ ক্ষেত্রে রােগীকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হাসপাতালে স্থানান্তর করা প্রয়ােজন।
৬। যদি বাড়ীতে একটি শিশুর এই রােগ হয়, তাহা হইলে বাড়ীর অন্য ছেলেমেয়েদের অবশ্যই বয়স অনুযায়ী প্রতিষেধক হিসাবে ৫০০ থেকে ১০০০ ইউনিট সিরাম A D. S) ইনজেকশন দিতে হইবে।।
ডিপথেরিয়া রোগের পথ্য ও আনুষঙ্গিক
১। রােগীকে কমপক্ষে তিন সপ্তাহ বিছানায় শােয়াইয়া রাখা ভাল। কেননা এক্ষেত্রে হার্ট ফেইল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
২। তরল ও নরম খাবার দুধ-সাগু, দুধ-বার্লি, গ্লুকোজ, হরলিক্স ইত্যাদি তরল। খাদ্য খাওয়াতে হইবে।
৩। Hot water saline দিয়ে দিনে ২/৩ বার গার্গল করিতে হইবে।
২। তরল ও নরম খাবার দুধ-সাগু, দুধ-বার্লি, গ্লুকোজ, হরলিক্স ইত্যাদি তরল। খাদ্য খাওয়াতে হইবে।
৩। Hot water saline দিয়ে দিনে ২/৩ বার গার্গল করিতে হইবে।
৪। ব্যথার জন্য Aspinn বা Paracetamol জাতীয় ঔষধ দিতে হইবে।
৫। ছােট বেলায় শিশুকে ৯ মাস বয়সের মধ্যে D, P. T. (ডি, পি, টি) সহ সকল ইনজেকশন দতে হইবে। কেননা, ডি, পি, টি শিশুকে ডিপথেরিয়া পলিও ও টিটেনাস। হইতে রক্ষা করে। ইহা হাসপাতালে ও পল্লীস্বাস্থ্য ক্লিনিকে ফ্রি দেওয়া হয়।
৫। ছােট বেলায় শিশুকে ৯ মাস বয়সের মধ্যে D, P. T. (ডি, পি, টি) সহ সকল ইনজেকশন দতে হইবে। কেননা, ডি, পি, টি শিশুকে ডিপথেরিয়া পলিও ও টিটেনাস। হইতে রক্ষা করে। ইহা হাসপাতালে ও পল্লীস্বাস্থ্য ক্লিনিকে ফ্রি দেওয়া হয়।

